বৈষম্যের কারণ

হযরত উমারের যুগে যখন সকল সাহাবীর ভাতা নির্ধারিত হয়, তখন ইবনে উমারের ভাতা নির্ধারিত হয় আড়াই হাজার দিরহাম। পক্ষান্তরে উসামা ইবন যায়িদের ভাতা নির্ধারিত হয় তিন হাজার দিরহাম। ইবন উমার পিতা উমার (রা) -এর নিকট এ বৈষম্যের প্রতিবাদ করে বলেন, কোন ক্ষেত্রেই যখন আমি তার থেকে এবং আপনি তার পিতা থেকে পিছিয়ে নেই, তখন এই বৈষম্যের কারণ কি? উমার (রা) বলেন, সত্যই বলেছ। তবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার পিতাকে তোমার পিতা থেকে এবং তাঁকে তোমার থেকে বেশি ভালোবাসতেন। জবাব শুনে ইবন উমার (রা) চুপ হয়ে যান।

[আসহাবে রাসূলের জীবনকথা (২) - মুহাম্মদ আবদুল মাবুদ]

দানশীলা নারী

আসমা বিনতু আবু বকরের (রাদিয়াল্লাহু আনহা)মধ্যে সততা, দানশীলতা, মহত্ব ও প্রখর বুদ্ধিমত্তার মত এমন সব সুষম চারিত্রিক গুণাবলীর সমন্বয় ঘটেছিল যা ছিল বিরল। তার দানশীলতা তো একটি প্রবাদে পরিণত হয়েছিল। তার ছেলে আবদুল্লাহ বলেন:

“আমি আমার মা আসমা ও খালা আয়িশা থেকে অধিক দানশীলা কোন নারী দেখিনি। তবে তাঁদের দু’জনের দান প্রকৃতির মধ্যে প্রভেদ ছিল। আমার খালার স্বভাব ছিল, প্রথমতঃ তিনি বিভিন্ন জিনিস একত্র করতেন। যখন দেখতেন, যে যথেষ্ট পরিমাণ জমা হয়ে গেছে, তখন হঠাৎ করে একদিন তা সবই গরীব মিসকীনদের মধ্যে বিলিয়ে দিতেন। কিন্তু আমার মা’র স্বভাব ছিল ভিন্নরূপ। তিনি আগামীকাল পর্যন্ত কোন জিনিস নিজের কাছে জমা করে রাখতেন না।”

[আসহাবে রাসূলের জীবনকথা-১ , মুহাম্মাদ আবদুল মাবুদ]

আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কোন কিছুকে ত্যাগ করার বিনিময়

“আপনি যদি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কোন কিছুকে ত্যাগ করেন, তাহলে আল্লাহ তার পরিবর্তে আপনাকে এমন কিছু দান করবেন যা পাওয়ার কথা আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না।”

– ড. বিলাল ফিলিপস

[ফেসবুক পেজ, ২৯/০৯/২০১৪]

সত্য কথা বলতে ইবনে উমার কখনো ভয় পেতেন না

সত্য কথা বলতে আবদুল্লাহ ইবনে উমার (রাদিয়াল্লাহু আনহু) কখনো ভয় পেতেন না। উমাইয়্যা বংশীয় শাসকদের সামনাসামনি সমালোচনা করতেন।

একবার হাজ্জাজ খুতবা দিচ্ছিলেন। ইবন ইমার তাকে লক্ষ্য করে বললেন:
“এই লোকটি আল্লাহর দুশমন। সে মক্কার হারামের অবমাননা করেছে, বাইতুল্লাহ ধ্বংস করেছে এবং আল্লাহর প্রিয় বান্দাদের হত্যা করেছে।”

[আসহাবে রাসূলের জীবনকথা-২ , মুহাম্মাদ আবদুল মাবুদ]

খুব খেয়াল করে ছবি বাছাই করুন

“একটি প্রোফাইল পিকচার আমাদের সম্পর্কে অনেক কথা বলে দেয়, বুঝিয়ে দেয় আমরা কীসের পক্ষে এবং কোন জিনিসের প্রচার করি। খুব খেয়াল করে ছবি বাছাই করুন।”

– মুফতি ইসমাইল মেংক

[ইসলামিক অনলাইন ইউনিভার্সিটি ফেসবুক পেজ, ২২/০৯/২০১৪]

যে জাতি ইতিহাসকে উপেক্ষা করে তার অবস্থা স্মৃতিভ্রংশ মানুষের সাথে তুলনীয়

“ইতিবাচক ও নেতিবাচক, জয় ও পরাজয় তথা সকল বিষয় সমন্বিত একটি জাতির ইতিহাস হচ্ছে সমৃদ্ধ খনির মতো যা থেকে সম্পদ আহরণ করে একটি জাতি তার বর্তমান গড়ে তোলে। যে জাতি ইতিহাসকে উপেক্ষা করে তার অবস্থা স্মৃতিভ্রংশ মানুষের সাথে তুলনীয়, যার কোনো মূল বা দিক-দর্শন নেই।”

– ড. ইউসুফ আল কারাদাওয়ি.

[ইসলামী পুনর্জাগরণঃ সমস্যা ও সম্ভাবনা, পৃ ৬৭]

দানশীল তালহা

হযরত তালহা বিন উবাইদুল্লাহ (রা) ছিলেন একজন বিত্তশালী ব্যবসায়ী। কিন্তু সম্পদ পুঞ্জীভূত করার লালসা তার ছিলোনা। তার দানশীলতার বহু কাহিনী ইতিহাসে পাওয়া যায়। ইতিহাসে তাকে “দানশীল তালহা” বলে উল্লেখ করা হয়েছে। একবার হাদরামাউত থেকে সত্তর হাজার দিরহাম এলো তার হাতে। রাতে তিনি বিমর্ষ এবং উৎকন্ঠিত হয়ে পড়লেন। তার স্ত্রী হযরত আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু এর কন্যা উম্মু কুলসুম স্বামীর এ অবস্থা দেখে জিজ্ঞেস করলেনঃ

– আবু মুহাম্মাদ, আপনার কী হয়েছে? মনে হয় আমার কোন আচরণে আপনি কষ্ট পেয়েছেন।

– না, একজন মুসলমান পুরুষের স্ত্রী হিসেবে তুমি বড় চমতকার। কিন্তু সেই সন্ধ্যা থেকে আমি চিন্তা করছি, এত অর্থ ঘরে রেখে ঘুমালে একজন মানুষের তার পরওয়ারদিগারের প্রতি কীরূপ ধারণা হবে?

– এতে আপনার বিষণ্ণ ও চিন্তিত হওয়ার কী আছে? এত রাতে গরীব-দুখী ও আপনার আত্মীয় পরিজনদের কোথায় পাবেন? সকাল হলেই বন্টন করে দেবেন।

– আল্লাহ তোমার ওপর রহম করুন। একেই বলে, বাপ কি বেটী।

পরদিন সকালবেলা ভিন্ন ভিন্ন থলি ও পাত্রে সকল দিরহাম ভাগ করে মুহাজির ও আনসারদের গরীব মিসকীনদের মধ্যে তিনি বন্টন করে দেন।

[আসহাবে রাসূলের জীবনকথা (প্রথম খন্ড)- মুহাম্মদ আবদুল মাবুদ]

ইলম তাদের জন্যই উপলভ্য রয়েছে যারা এটাকে খুঁজে পেতে চায়

“জ্ঞান (‘ইলম) হলো তীরবিহীন এক সমুদ্র যা গোটা উম্মাহর মাঝে বন্টন করে দেয়া হয়েছে। ‘ইলম তাদের জন্যই উপলভ্য রয়েছে যারা এটাকে খুঁজে পেতে চায়।”

– ইমাম আয-যাহাবী (রাহিমাহুল্লাহ)

[সিয়ার আ'লাম আন-নুবালা, ৬৮/১২]

খারাপ স্মৃতিশক্তি থেকে উত্তরণের সমাধান

বর্ণিত আছে, আল-শাফা’ই (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন:

“আমি (আমার শাইখ) ওয়াকীকে আমার খারাপ স্মৃতিশক্তির ব্যাপারে অভিযোগ করেছিলাম এবং তিনি শিখিয়েছিলেন আমি যেন পাপকাজ থেকে নিজেকে দূরে রাখি।

তিনি বলেন, আল্লাহর জ্ঞান হলো একটি আলো এবং আল্লাহর আলো কোন পাপচারীকে দান করা হয় না।”

[শাইখ মুহাম্মাদ সালিহ আল মুনাজ্জিদ, ইসলামকিউএ/৩৩২৮]

বুদ্ধিবৃত্তিক সন্ত্রাস শারীরিক সন্ত্রাসের চেয়েও ভয়ঙ্কর

“বুদ্ধিবৃত্তিক সন্ত্রাস শারীরিক সন্ত্রাসের চেয়েও ভয়ঙ্কর।”

– ড. ইউসুফ আল কারাদাওয়ি

[ইসলামী পুনর্জাগরণঃ সমস্যা ও সম্ভাবনা, পৃ ৩০]​

প্রশংসাকারীর মুখে মাটি ছুঁড়ে মারো

বিনয় ও নম্রতা আব্দুল্লাহ ইবন উমারের (রা) চরিত্রের বিশেষ বৈশিষ্ট্য ছিল। নিজের প্রশংসা শুনতে তিনি ভীষণ অপছন্দ করতেন। এক ব্যক্তি তার প্রশংসা করছিল। তিনি তার মুখে মাটি ছুঁড়ে মারলেন। অতঃপর তাকে রাসূলুল্লাহর (সা) এ হাদীস — প্রশংসাকারীর মুখে মাটি ছুঁড়ে মারো — শুনিয়ে দিলেন। কোন বাছ-বিচার না করে ছোট বড় সকলকে সালাম করতেন। পথ চলতে কোন ব্যক্তিকে সালাম করতে ভুলে গেলে ফিরে এসে তাকে সালাম করে যেতেন। অত্যন্ত কটু কথা শুনেও হজম করে যেতেন, কোন জবাব দিতেন না। এক ব্যক্তি কটু ভাষায় তাকে গালি দিল। জবাবে তিনি শুধু বললেন, আমি ও আমার ভাই অত্যন্ত উঁচু বংশের। এতটুকু বলে চুপ থাকলেন।

[আসহাবে রাসূলের জীবনকথা (২) - মুহাম্মদ আবদুল মাবুদ]

দানশীলতা ও উদারতা

হযরত তালহা বিন উবাইদুল্লাহর (রা) দানশীলতা সম্পর্কে একটি ঘটনা বর্ণিত হয়েছে। এক ব্যক্তি হযরত তালহার নিকট এসে তার সাথে আত্মীয়তার সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে কিছু সাহায্য চাইলো। তালহা বললেনঃ অমুক স্থানে আমার একখন্ড জমি আছে। উসমান ইবনে আফফান উক্ত জমির বিনিময়ে আমাকে তিন লাখ দিরহাম দিতে চান। তুমি ইচ্ছে করলে সেই জমিটুকু নিতে পারো বা আমি তা বিক্রি করে তিন লাখ দিরহাম তোমাকে দিতে পারি। লোকটি মূল্যই নিতে চাইলো। তিনি তাকে বিক্রয়লব্ধ সমুদয় অর্থ দান করেন।

[আসহাবে রাসূলের জীবনকথা (প্রথম খন্ড)- মুহাম্মদ আবদুল মাবুদ]

অন্ধকারকে অভিশাপ দেয়ার পরিবর্তে একটি মোমবাতি জ্বালানোর চেষ্টা করো

একজন জ্ঞানী ব্যক্তি একদা বলেছিলেনঃ “অন্ধকারকে অভিশাপ দেয়ার পরিবর্তে রাস্তায় একটি মোমবাতি জ্বালানোর চেষ্টা করো।”

[শাইখ ইউসুফ আল কারাদাওয়ি, ইসলামী পুনর্জাগরণঃ সমস্যা ও সম্ভাবনা, পৃ ১৩৬]

তোমাদের মধু খাওয়া উচিত

ইমাম আয-যুহরী বলেন,

“তোমাদের মধু খাওয়া উচিত কেননা তা স্মৃতিশক্তির জন্য কল্যাণকর।”
তিনি আরো বলেন, “যে হাদিস মুখস্ত করতে চায় তার কিসমিস খাওয়া উচিত।”

[আল-জামিল, আল-খাতিব, ২/৩৯৪]

তিনি এমনই সরল ও অনাড়ম্বর জীবন যাপন করতেন

ইবনে উমারের জীবনীতে আমরা দেখতে পাই, তাঁর আর্থিক অবস্থা অত্যন্ত স্বচ্ছল ছিল। হাজার হাজার দিরহাম একই বৈঠকে ফকীর-মিসকীনদের মধ্যে বিলিয়ে দিতেন। কিন্ত তার নিজের ঘরের আসবাবপত্রের মোট মূল্য একশ দিরহামের বেশি ছিলনা। মায়মূন ইবন মাহরান বলেন, “আমি ইবন উমারের ঘরে প্রবেশ করে লেপ, তোষক, বিছানাপত্র ইত্যাদির দাম হিসাব করলাম। সব মিলিয়ে একশ দিরহামের বেশি হলনা।” তিনি এমনই সরল ও অনাড়ম্বর জীবন যাপন করতেন। নিজের কাজ তিনি নিজ হাতে করতেন। নিজের কাজে অন্য কারো সাহায্য গ্রহণ তাঁর মনঃপুত ছিলনা।

[আসহাবে রাসূলের জীবনকথা (২) - মুহাম্মদ আবদুল মাবুদ]

এই পৃথিবীর অনেক সমস্যারই সমাধান হয়ে যেত

“এই পৃথিবীর অনেক সমস্যারই সমাধান হয়ে যেত যদি আমরা নিজেদের ব্যাপারে অন্যদের সাথে কথা না বলে নিজেরা পরস্পর কথা বলতাম।”

– ড. বিলাল ফিলিপস

[ফেসবুক পেজ, ১৯/০৯/২০১৪]

স্মৃতিকে শক্তিশালী করতে পারে তা হলো পাপ করা ছেড়ে দেয়া

আল-খাতীব তার​ আল-জামী(২/৩৮৭) গ্রন্থে ​বর্ণনা করেন যে ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া বলেন:

“এক ব্যক্তি মালিক ইবনে আনাসকে প্রশ্ন করেছিলেন, “হে আবদ-আল্লাহ, আমার স্মৃতিশক্তিকে শক্তিশালী করে দিতে পারে এমন কোন কিছু কি আছে? তিনি বলেন, যদি কোন কিছু স্মৃতিকে শক্তিশালী করতে পারে তা হলো পাপ করা ছেড়ে দেয়া।” ​

[শাইখ মুহাম্মাদ সালিহ আল মুনাজ্জিদ, ইসলামকিউএ/৩৩২৮]

আমি মরণ ভয়ে কাঁদছি না

​হযরত সালমান (রা) যখন রোগশয্যায়, হযরত সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস (রা) তাকে দেখতে যান। সালমান (রা) কাঁদতে শুরু করলেন। সা’দ বললেনঃ “আবু আবদিল্লাহ, আপনি কাঁদছেন কেন? রাসূল সাল্লল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তো আপনার প্রতি সন্তষ্ট অবস্থায় দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছেন। হাউজে কাওসারের নিকট তাঁর সাথে আপনি মিলিত হবেন। “

বললেন, “আমি মরণ ভয়ে কাঁদছি না। কান্নার কারণ হচ্ছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের নিকট থেকে অঙ্গীকার নিয়েছিলেন, আমাদের সাজ-সরঞ্জাম যেন একজন মুসাফিরের সাজ-সরঞ্জাম থেকে বেশি না হয়। অথচ আমার কাছে এতগুলি জিনিসপত্র জমা হয়ে গেছে।”

সা’দ বলেনঃ সেই জিনিসগুলি একটি বড় পিয়ালা, তামার একটি থালা ও একটি পানির পাত্র ছাড়া আর কিছু নয়।

[আসহাবে রাসূলের জীবনকথা-১ , মুহাম্মাদ আবদুল মাবুদ]

আখিরাতে আমার একটি বাড়ি আছে

একদিন এক ব্যক্তি আবু যার আল গিফারী (রা) এর নিকট এলো। সে তার ঘরের চারিদিকে চোখ ঘুরিয়ে দেখলো। গৃহস্থালীর কোন সামগ্রী দেখতে না পেয়ে জিজ্ঞেস করলো,
– আবু যার, আপনার সামান-পত্র কোথায়?
– আখিরাতে আমার একটি বাড়ি আছে। আমার সব উৎকৃষ্ট সামগ্রী সেখানেই পাঠিয়ে দিই।

একদা সিরিয়ার আমীর তার নিকট তিনশ দিনার পাঠালেন। আর বলে পাঠালেন, এ দ্বারা আপনি আপনার প্রয়োজন পূর্ণ করুন।
“শামের আমীর কি আমার থেকে অধিকতর নীচ কোন আল্লাহর বান্দাকে পেলোনা?” — একথা বলে তিনি দিনারগুলি ফেরত পাঠালেন।

[আসহাবে রাসূলের জীবনকথা-১ , মুহাম্মাদ আবদুল মাবুদ]

যার জন্য একটি ঝুপড়ি ঘর তৈরি করা হয়

যুহদ ও তাকওয়ায় সালমান আল ফারেসি (রা) ছিলেন বাস্তব নমুনা। ক্ষণিকের মুসাফির হিসেবে তিনি জীবন যাপন করেছেন। জীবনে কোন বাড়ি তৈরি করেননি। কোথাও কোন প্রাচীর বা গাছের ছায়া পেলে সেখানেই শুয়ে যেতেন।

এক ব্যক্তি তাঁর কাছে ইজাজত চাইলো, তাকে একটি ঘর বানিয়ে দেওয়ার। তিনি নিষেধ করলেন। বারবার পীড়াপীড়িতে শেষে তিনি জিজ্ঞেস করলেন, “কেমন ঘর বানাবে?”।

লোকটি বললো, “এত ছোট যে, দাঁড়ালে মাথায় চাল বেঁধে যাবে এবং শুয়ে পড়লে দেয়ালে পা ঠেকে যাবে। এ কথায় তিনি রাজী হলেন। তার জন্য একটি ঝুপড়ি ঘর তৈরি করা হয়।

[আসহাবে রাসূলের জীবনকথা (প্রথম খন্ড) - মুহাম্মাদ আবদুল মাবুদ]

পাপের বিরুদ্ধে অভিযোগ

​হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) জীবিত ছিলেন উসমান (রা) এর খিলাফতকাল পর্যন্ত । তিনি যখন অন্তিম রোগ শয্যায়, তখন উসমান (রা) একদিন তাকে দেখতে গেলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ

– আপনার অভিযোগ কীসের বিরুদ্ধে?
— আমার পাপের বিরুদ্ধে।

– আপনার চাওয়ার কিছু আছে কি?
— আমার রবের রহমত বা করুণা।

– বহুবছর যাবত আপনার ভাতা নিচ্ছেন না, তা কি আবার দেয়ার নির্দেশ দেব?
— আমার কোন প্রয়োজন নেই।

দিনশেষে রাত্রি নেমে এলো, আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ তার রফীকে আলা-শ্রেষ্ঠতম বন্ধুর সাথে মিলিত হলেন। খলীফা উসমান তাঁর জানাযার নামায পড়ান এবং হযরত উসমান ইবন মাজউনের (রা) পাশে তাঁকে সমাহিত করা হয়।

[আসহাবে রাসূলের জীবনকথা (প্রথম খন্ড) - মুহাম্মাদ আবদুল মাবুদ]

তারা টাকার চেয়ে সময়ের প্রতি অনেক বেশি যত্নবান ছিলেন

“আমি সেসব মানুষদের (সালাফদের) দেখেছিলাম তারা তাদের দিরহাম ও দিনারের (অর্থাৎ, তাদের টাকার) চেয়ে সময়ের প্রতি অনেক বেশি যত্নবান ছিলেন।”

– আল-হাসান আল-বাসরী (রহিমাহুল্লাহ)

[আয-যুহদ, আবদুল্লাহ বিন আল-মুবারাক, পৃ ৫১] ​

প্রাসাদের চেয়ে বই অনেক বেশি উত্তম

“আমার কাছে রাজা-বাদশাহদের প্রাসাদের চেয়ে বই অনেক বেশি উত্তম।”

– শাইখ হামাদ আল-আনসারি

[আল-মাজমু, ১/৩৯৫]

যখন পাপ করা খুব সহজ

“আপনি যদি এমন একটা সময়ে বাস করেন যখন পাপ করা খুব সহজ; বুঝে নিন এই সময়টা তেমনই যখন তাকওয়াবান (আল্লাহকে ভয় করা) মানুষ হওয়ার পুরষ্কারটাও অনেক বড়।”

– সাজিদ আহমেদ উমার

[ফেসবুক পেজ, ২৬/০৮/১৪]

জীবনটাকে এমনভাবে গ্রহণ করো যেন তুমি দিনভর রোজা রাখলে

“এই জীবনটাকে এমনভাবে গ্রহণ করো যেন তুমি সারাটি দিনভর রোজা রাখলে এবং ইফতার করলে মৃত্যুকে আলিঙ্গনের মাধ্যমে।”

– দাউদ আত-তা’ঈ (রাহিমাহুল্লাহ)

[সিফাতু আস-সাফওয়াহ, ৩/১৩৪]

ইমাম আবু হানিফার ব্যবসা

একবার ইমাম আবু হানিফার সাথে একটি ব্যবসার অংশীদার ছিলেন বসরার জনৈক লোক । একবার ইমাম আবু হানিফা তাকে ৭০টি মূল্যবান কাপড় পাঠিয়েছিলেন এবং সেগুলোর সাথে আলাদা করে লিখে দিয়েছিলেন, “এই কাপড়গুলোর একটিতে খুঁত আছে, সেটি হলো অমুক কাপড়টি । সুতরাং, আপনি যখন কাপড়গুলো বিক্রি করবেন তখন ভালো করে খেয়াল রাখবেন যেন কাপড়ের সমস্যাটি ক্রেতাকে উল্লেখ করে দেয়া হয়।”

ইমাম আবু হানিফার ব্যবসার অংশীদার সেই লোকটি কাপড়গুলো ৩০ হাজার দিরহামের বিনিময়ে বিক্রি করেন এবং যখন তিনি টাকাসহ আবু হানিফার কাছে এলেন, তাকে জিজ্ঞাসা করা হলো, “আপনি কি কাপড়ের খুঁতগুলো বলে দিয়েছিলেন?” বসরার লোকটি উত্তর দিলেন,”আমি ভুলে গিয়েছিলাম।” আবু হানিফা সেই কাপড় বিক্রির মুনাফা থেকে কিছুই গ্রহণ করেননি বরং তার সবটুকুই সাদাকাহ করে দিয়েছিলেন।”

[জেমস অ্যান্ড জুয়েলস, পৃ ১২৪]

যে বিষয়টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে

“নিজের কল্যাণের স্বার্থে এবং আযাব থেকে রেহাই পেতে যথাসম্ভব কম কথা বল। তুমি তোমার আমলনামার পাতাগুলো আড্ডাবাজি দিয়ে পূর্ণ করো না। কেননা, চূড়ান্ত হিসাব-নিকাশের দিনে যে বিষয়টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে তা হল তোমার জীবনে আল্লাহকে স্মরণ করার মুহূর্তগুলো।”

– আব্দুল কাদির জিলানী

[তারিক রমাদান ফেসবুক পেজ, ১৬ জুলাই, ২০১৪]

অনুশোচনার রাত

“যে রাতের বেলায় কোন ব্যক্তি সলাতে দাঁড়িয়ে নিজের উপরে মুগ্ধ হয়ে ঘুম থেকে জাগে তার চেয়ে যে রাতে কোন ব্যক্তি অনুশোচনায় বারবার ঘুম থেকে জেগে ওঠে তা উত্তম।”

– ইমাম ইবনে আল-কাইয়্যিম [মৃত্যু, ৭৫১ হিজরি, ১৩৫০ ঈসায়ী]

[মাদারিজ আল-সালেকিন, ১/১৮৩]

ইসলামকে কীভাবে বুঝি তা নিয়ে সংশয়ে থাকা উচিত

“ইসলামের ব্যাপারে আমাদের সংশয় নেই, কিন্তু দাম্ভিকতা এড়ানোর জন্য আমাদের উচিত ইসলামকে আমরা কীভাবে বুঝি তা নিয়ে সংশয়ে থাকা।”
— শাইখ হামজা ইউসুফ

[অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ, ২২/০৬/২০১৪]

আল্লাহর কাছে নিজেকে কেমন দেখায়

“আল্লাহর কাছে আপনাকে দেখতে কেমন দেখায় সেই ব্যাপারে আপনি যত বেশি সচেতন হবেন, লোকদের কাছে আপনাকে দেখতে কেমন দেখায় সে ব্যাপারে ততই কম পরোয়া করবেন।”

– উস্তাদা ইয়াসমিন মোগাহেদ

[অফিসিয়াল টুইটার, ১৪/০৬/২০১৪]

আল্লাহভীতি আল্লাহ ও বান্দার মাঝে সম্পর্কে উন্নয়ন ঘটায়

“আল্লাহকে ভয় করা এবং উত্তম চরিত্রের মাঝে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি সম্পর্ক স্থাপন করেছিলেন, কেননা আল্লাহভীতি আল্লাহ ও বান্দার মাঝে সম্পর্কে উন্নয়ন ঘটায় এবং উত্তম চরিত্র একজন ব্যক্তির সাথে অন্যান্যদের সম্পর্ককে উন্নত করে। তাই একজন ব্যক্তির আল্লাহর প্রতি ভয় তার প্রতি আল্লাহর ভালোবাসা পাওয়াকে সম্ভাবনাময় করে এবং সুন্দর আচরণ একজন ব্যক্তির প্রতি অন্যদের ভালোবাসা প্রাপ্তিকে সম্ভাবনাময় করে তোলে।

– ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রাহিমাহুল্লাহ)

[আল-ফাওয়াইদ, পৃ ৮৫]

আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কেউ নড়াচড়াও করতে পারে না

“সকল গতি, স্থিতি, মুখনিঃসৃত বাণী এবং কাজ সংঘটিত হয় আল্লাহর অনুমতি এবং ইচ্ছার ফলেই। আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কেউ নড়াচড়াও করতে পারে না, আল্লাহর ইচ্ছা ব্যতীত কেউ কোন কাজ করতে পারে না।”

– ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রাহিমাহুল্লাহ)

[আল-ফাওয়াইদ, পৃ ৯২]

প্রদর্শনেচ্ছা থেকে সাবধান!

“কোনও ব্যক্তি যদি মানুষের সামনে কথা বলতে গিয়ে দেখে যে মানুষকে শোনাতে খুব ভালো লাগছে, তবে যেন সে চুপ করে। আর যদি দেখে মানুষের সামনে চুপ করে থাকতে খুব ভালো লাগছে, তাহলে যেন বলা আরম্ভ করে।”

– উবাইদুল্লাহ বিন আবী জা’ফার

[ইমাম আয-যাহাবী, সিয়ার আ'লাম আন-নুবালা]

তোমাদের নিজেদের পাপকাজগুলো থেকে নিজেদেরকে বিরত রাখ

আবদুল্লাহ ইবনে মাস’উদকে (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলা হয়েছিলো,

“আমরা কিয়াম আল-লাইল আদায় করতে পারছি না।”

তিনি উত্তর দিলেন, “তোমাদের নিজেদের পাপকাজগুলো থেকে নিজেদেরকে বিরত রাখ।”

[লাতা'ইফ আল-মা'আরিফ, পৃ ৯৮]

অশ্রুরাশিকে সুপারিশকারী করতে চেষ্টা করো

“তোমার করা ভুল কাজগুলোর জন্য রাতের অন্ধকারে ঝরে যাওয়া অশ্রুরাশিকে সুপারিশকারী করতে চেষ্টা করো।”

– ইমাম ইবনে আল-জাওযি (রাহিমাহুল্লাহ)

[কিতাব আল-লাতাইফ ফিল-ওয়াইজ, পৃ ৫১]

ইকরিমা তার মুখে মুসহাফ চেপে ধরতেন আর কাঁদতেন

ইবনে আবি মুলাইকাহ বর্ণনা করেন,

ইকরিমা বিন আবি জাহল তার মুখে মুসহাফ চেপে ধরতেন আর কাঁদতেন এই বলে যে, “এ আমার রবের গ্রন্থ! আমার মালিকের বলা শব্দগুচ্ছ!”

[আব্দুল্লাহ বিন আল-মুবারাক, আল-জিহাদ, পৃ ৫৬]

হযরত আলী (রা) তার ছেলেকে উপদেশ দিয়েছিলেন

হযরত আলী (রাদিয়াল্লাহু আনহু) তার ছেলেকে উপদেশ দিয়েছিলেন,

“হে আমার সন্তান! আল্লাহকে এমনভাবে ভয় করো যে সমগ্র মানবজাতির ভালো কাজের সমতূল্য সওয়াব নিয়েও যদি তুমি আল্লাহর সাথে সাক্ষাত করো তবু তিনি তা কবুল করবেন না; এবং আল্লাহর ব্যাপারে এমন আশাবাদী হও যে সকল মানুষের করা পাপকাজের সমপরিমাণ পাপ নিয়েও যদি তুমি আল্লাহর সাথে সাক্ষাত করো তবু তিনি তোমায় ক্ষমা করে দিবেন।”

[ইমাম সুহাইব ওয়েব ফেসবুক পেইজ, ২৯/০৬/২০১৪]

বেশি মুগ্ধ হয়ে যেয়ো না

সাহ্‌ল বিন মানসূর বলেন:

“বিশ্‌র রাতে লম্বা সময় ধরে সালাত পড়তেন। এসময় তার পেছনে কেউ হয়তো এসে দাঁড়াতো। সেটা টের পেলে তিনি সেই ব্যক্তিকে বলতেন: “যা দেখলে তাতে বেশি মুগ্ধ হয়ে যেয়ো না। ইবলিসও যুগের পর যুগ ফেরেশতাদের সাথে আল্লাহ্‌র ইবাদাত করেছিলো।”

[ইমাম আয-যাহাবী, সিয়ার আ'লাম আন-নুবালা]

কখনও কখনও মানুষ মৃত্যুর পরও রিয়া করে

“কখনও কখনও মানুষ মৃত্যুর পরও রিয়া করে (লোক দেখায়) কেননা সে চায় যে তার জানাযায় অনেক মানুষ হাজির হোক।”

– বিশ্‌র ইবনুল-হারিস

[ইমাম আয-যাহাবী তার গ্রন্থ সিয়ার আ'লাম আন-নুবালা-তে উল্লেখ করেছেন,১০/৪৭৩]

এসো আমরা আমাদের ঈমানকে বাড়াই

উমার ইবনুল খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলতেন:

“এসো আমরা আমাদের ঈমানকে বাড়াই, আর তাই চলো আমরা আল্লাহকে স্মরণ করি।”

[আশ-শারি'আহ: আল-আজুররি, পৃ ১১৭]

আমাদের চেয়ে অনেক বেশি ছিলো এমন অনেক মানুষেরই এখন কিছুই নেই

বিনয়ী হোন। আপনার অধিকারে যা আছে সেগুলো যেন আপনাকে এমন কথা না ভাবায় যে তারা চিরকাল আপনার কাছে রয়ে যাবে। আমাদের চেয়ে অনেক বেশি ছিলো এমন অনেক মানুষেরই এখন কিছুই নেই। আল্লাহ আমাদেরকে রক্ষা করুন।

– মুফতি ইসমাইল মেংক

[ইসলামিক অনলাইন ইউনিভার্সিটি ফেসবুক পেইজ, ২২/০৬/২০১৪]

আমি তোমাকে পাঁচটি কথা দিয়ে উপদেশ দিচ্ছি

কাসিম আল-জুয়ী বলেছিলেন,
আমি তোমাকে পাঁচটি কথা দিয়ে উপদেশ দিচ্ছি:

(১) তোমার সাথে কেউ অন্যায় করলে, তুমি অন্যায় ব্যবহার করবেন না।
(২) তোমার প্রশংসা করা হলে খুশি হবে না।
(৩) সমালোচিত হলে বিচলিত হয়ে যাবে না।
(৪) তোমাকে অবিশ্বাস করা হলে রাগ করবে না।
(৫) লোকে যদি তোমার সাথে প্রতারণা করে, তুমি তাদের সাথে প্রতারণা করবে না।

[ইবনে আল জাওযী, সিফাতুস সাফওয়া, ২/২০০]

আল্লাহর বান্দার উচিত সবসময় আল্লাহর আদেশ মেনে চলা

“আল্লাহর বান্দার উচিত সবসময় আল্লাহর আদেশ মেনে চলা এমনকি যদি কোন লোক তার প্রতি অন্যায়ও করে। কেউ তার ব্যাপারে মিথ্যা বললেও ঐ লোকের ব্যাপারে মিথ্যা বলার এবং কেউ তাকে প্রতারিত করলেও ঐ ব্যক্তির সাথে প্রতারণা করার অনুমতি তার নেই।”

– শাইখ আস-সা’দী

[তাইসির উল কারীম, পৃ ২১৯]

আপনার জীবনের সবকিছুরই একটা অর্থ আছে

“সবসময় ইতিবাচক থাকুন। আপনার জীবনের সবকিছুরই একটা অর্থ আছে যদিও এখন আপনার জীবনে যা কিছু ঘটছে তার অর্থ হয়ত আপনি জানেন না।”

– তারিক রমাদান

মানুষকে খুশি করা খুবই কঠিন, আল্লাহকে খুশি করা সবচেয়ে সহজ

“মানুষকে খুশি করা খুবই কঠিন, আল্লাহকে খুশি করা সবচেয়ে সহজ।”

– তারিক রমাদান

[অফিসিয়াল টুইটার, ২৩/১০/২০১৩]

যদি বিয়ে করতে আগ্রহী হন

আপনি যদি বিয়ে করতে আগ্রহী হন, তাহলে সম্ভাব্য জীবনসঙ্গী/জীবনসঙ্গিনীর মধ্যে যেন তিনটি বিষয় থাকে তা চেয়ে আল্লাহর কাছে দু’আ করুন:

১) হে আল্লাহ! এমন একজন সঙ্গী দান করুন যে আমাকে আপনার কথা স্মরণ করিয়ে দিবে।
২) হে আল্লাহ! এমন একজন সঙ্গী দান করুন যে জান্নাতে আমার হাত ধরে ঘুরে বেড়াবে।
৩) হে আল্লাহ! এমন একজন সঙ্গী দান করুন যে আমার ঈমানকে বাড়িয়ে দিবে।

– শাইখ মুসলেহ খান

[ফেসবুক পেজ, ০৪/০৬/২০১৪]

অজ্ঞতা আপনার প্রথম কারাগার

জ্ঞান অর্জন করতে না পারলে বন্দীদশা থেকে মুক্তি পাবেন না। কেননা অজ্ঞতা তো আপনার প্রথম কারাগার।

– তারিক রমাদান

[অফিসিয়াল টুইটার, ৩১/১২/২০১৩]

আল্লাহ খুব ভালো করে জানেন তিনি আপনার জীবনে কী ঘটাচ্ছেন

“আপনি যখন কোন যন্ত্রণার মাঝে থাকেন, মনে রাখবেন, আল্লাহ খুব ভালো করে জানেন তিনি আপনার জীবনে কী ঘটাচ্ছেন।”

– ইয়াসমিন মোজাহেদ

[ফেসবুক পেজ, ০৪/০৪/২০১৪]

যার আত্মসম্মানবোধ আছে সে কোনদিন দুনিয়াবী জীবনকে কোন মূল্য দেয় না

“যার আত্মসম্মানবোধ আছে সে কোনদিন দুনিয়াবী জীবনকে কোন মূল্য দেয় না।”

– মুহাম্মাদ বিন আল-হানাফিয়্যাহ (রাহিমাহুল্লাহ)

[সিফাতু-আস-সাফওয়াহ, ইবনে আল-জাওযি, ২/৭৭]

আল্লাহর আনুগত্য আর ইবাদাত ভালো সময়ে করা খুবই কঠিন

“আল্লাহর আনুগত্য আর ইবাদাত করা জীবনের কঠিন সময়ে বেশ সহজ হয়, কিন্তু ভালো সময়ে তা খুব কঠিন। আমাদেরকে অবশ্যই আমাদের শ্রেষ্ঠ সময়গুলোতে বিশেষভাবে আল্লাহর আদেশ মেনে চলতে হবে এবং তার ইবাদাত করতে হবে।”

– ড বিলাল ফিলিপস

[অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ, ২৫/০৫/২০১৪]

Follow

Get every new post delivered to your Inbox.

Join 10,198 other followers