Category Archives: উমার বিন আবদুল আজিজ

আল্লাহ যেন ঐ বান্দার প্রতি রহম করেন

উমার বিন আব্দুল আযীযের (রহিমাহুল্লাহ) কাছে খবর পৌঁছল যে তাঁর ছেলে ১০০০ দিরহাম দিয়ে একটি আংটি কিনেছে। খলিফা উমার বিন আব্দুল আযীয সাথে সাথে ছেলের কাছে চিঠি লিখলেন–

“আমার কাছে খবর এসেছে তুমি ১০০০ দিরহাম দিয়ে একটি পাথরের টুকরা কিনেছ। তুমি যখনই আমার চিঠি পাবে, তখনই আংটিটি বিক্রি করে দিবে। বিক্রয়কৃত টাকা দিয়ে তুমি ১০০০ অভুক্ত মানুষকে পেট ভরে খাওয়াবে এবং তারপর ২ দিরহামের একটি লোহার আংটি কিনবে যাতে লিখবে–

“আল্লাহ যেন ঐ বান্দার প্রতি রহম করেন, যে তার নিজের মূল্যের ব্যাপারে খেয়াল রাখে”।

[মাদারিজ আল-সালিকিন]

Advertisements

যে ব্যক্তি জ্ঞান ছাড়াই আমল করে সে উপকারের চেয়ে ক্ষতিই বেশি করে

“যে ব্যক্তি জ্ঞান ছাড়াই আমল করে সে উপকারের চেয়ে ক্ষতিই বেশি করে।”

— উমার বিন আবদিল-আযীয

[মুসান্নাফ ইবনে আবি শাইবাহ,১৩/৪৭০]

নিজেকে আল্লাহর রাহমাতসমূহের কথা বেশি করে স্মরণ করিয়ে দিন

“নিজেকে আল্লাহর রাহমাতসমূহের কথা বেশি করে স্মরণ করিয়ে দিন, কেননা যিনি বেশি বেশি স্মরণ করেন তার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার সম্ভাবনাও বেশি থাকে।”

— উমার বিন আবদুল আজিজ

[আল-মুজালাসাহ, পৃ ৪০৫]

সাহাবায়ে কিরামের মতানৈক্য রহমতস্বরূপ

“আমি কখনোই কামনা করিনি যে সাহাবায়ে কিরামের মধ্যে মতানৈক্য না থাক। তাদের মতানৈক্য রহমতস্বরূপ।”

— উমার বিন আবদুল আজীজ (রাহিমাহুল্লাহ)

[ইসলামী পুনর্জাগরণ সমস্যা ও সম্ভাবনা, পৃ-৯৮]

জনসম্মুখে আল্লাহর বন্ধু এবং লোকচক্ষুর আড়ালে শত্রু

উমার বিন আবদুল আজীজ (রাহিমাহুল্লাহ) একবার উপদেশ পেয়েছিলেনঃ

“হে উমার! জনসম্মুখে আল্লাহর বন্ধু এবং লোকচক্ষুর আড়ালে আল্লাহর শত্রু হওয়া থেকে সাবধান হও। যদি কারো স্বভাব-চরিত্র প্রকাশ্যে এবং গোপনে সমান না হয়ে থাকে তাহলে সে একজন ধোঁকাবাজ (মুনাফিক) এবং মুনাফিকদের স্থান জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্তরে।”

[আল বায়হাকী, আল-যুহদ আল-কাবির, পৃ ১০০]

যদি পারো তো একজন আলেম হও

poir

“তুমি যদি পারো তো একজন আলেম হও। যদি তা না পারো তবে দ্বীনের জ্ঞানের একজন ছাত্র হও। যদি তা না পারো, তাহলে তাদের প্রতি ভালোবাসা দেখাও। যদি তুমি তা-ও না পারো, তাহলে (অন্ততপক্ষে) তাদের ঘৃণা করো না।”

— উমার বিন আবদুল আজিজ (রাহিমাহুল্লাহ)

[ইবনে আবদিল-বার, জামিউ বায়ান-ইল-‘ইলমি ওয়া ফাদলিহি, ১৪৩]

খলীফা উমার বিন আবদুল আযীযের সময়ে যখন ভূমিকম্প হয়েছিল

wonder2

খলীফা উমার বিন আবদুল আযীযের (রাহিমাহুল্লাহ) সময়ে যখন ভূমিকম্প হয়েছিল তখন বিভিন্ন দেশে তার প্রতিনিধিদের কাছে চিঠি দিয়েছিলেন মুসলিমদের বলে দিতে যেন তারা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার কাছে তাওবা করে, তার কাছে বিনীত হয়ে নিজেদের সোপর্দ করে এবং নিজেদের পাপের জন্য তার কাছে ইস্তিগফার করে।

[শাইখ বিন বায, মাজমু ফাতাওয়া ২/১২৯]

কোন গাইর-মাহরাম নারীর সাথে কখনো একাকী অবস্থান করবেন না

“কোন গাইর-মাহরাম নারীর সাথে কখনো একাকী অবস্থান করবেন না, আপনি যদি তাকে কেবল কুরআন শেখাতে যান, তবুও না।”

— উমার বিন আবদুল আজিজ

[আস-শাম, পৃষ্ঠা ১৩৯]